আমাদের পরিচয়
AC33 শুধু একটা বেটিং সাইট নয় – এটা বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ ক্রিকেট ও ফুটবলপ্রেমীর প্রতিদিনের সঙ্গী। আমরা বিশ্বাস করি বেটিং হওয়া উচিত স্বচ্ছ, নিরাপদ এবং সত্যিকার অর্থে আনন্দদায়ক।
আমরা কারা
২০১৯ সালে একদল বাংলাদেশি প্রযুক্তি ও ক্রীড়া উৎসাহী মিলে AC33 প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তখন লক্ষ্য ছিল একটাই – বাংলাদেশের মানুষের জন্য এমন একটা অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেটা আন্তর্জাতিক মানের হবে কিন্তু দেশের বাস্তবতার সাথে মিলে যাবে।
আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মগুলো থেকে বাংলাদেশে বেটিং করা কঠিন ছিল – বাংলা ভাষা নেই, বিকাশ বা নগদে পেমেন্ট নেই, স্থানীয় ক্রিকেট মার্কেট নেই। AC33 এই সব সমস্যা সমাধান করে বাংলাদেশকেন্দ্রিক অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে।
আজ AC33 বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ব্যবহারকারীরা ব্যবহার করেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে শুরু করে বান্দরবান, কক্সবাজার বা ময়মনসিংহ – সব জায়গার মানুষ AC33-এ সমান সুযোগে বেট করতে পারেন।
কেন AC33 আলাদা
AC33 যা করে, তা অন্যরা সবসময় করে না
আমাদের যাত্রা
আমাদের দল
মূল্যবোধ
এই মূল্যবোধগুলো আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তে প্রতিফলিত হয়
বিস্তারিত পরিচয়
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিংয়ের ইতিহাসে AC33 একটা নতুন অধ্যায়ের শুরু করেছে। ২০১৯ সালের আগে দেশের বেটররা আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে নির্ভর করতেন, যেখানে ভাষার বাধা, পেমেন্টের জটিলতা এবং স্থানীয় ম্যাচের অভাব ছিল বড় সমস্যা। AC33 সেই জায়গায় একটা স্থানীয় সমাধান নিয়ে এসেছে।
আমাদের প্রতিষ্ঠাতারা নিজেরা বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমী। তারা বুঝতেন বাংলাদেশের একজন সাধারণ বেটর কী চান। শুধু অডস দেখা নয় – তিনি চান সহজ ইন্টারফেস, নিজের ভাষায় সাপোর্ট এবং বিকাশে টাকা জমা দেওয়ার মতো পরিচিত পদ্ধতি। AC33 ঠিক এই সব সুবিধাকে একসাথে এনেছে।
AC33-এ প্রযুক্তিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। লাইভ বেটিংয়ে অডস আপডেটের গতি, মোবাইল অ্যাপের পারফরম্যান্স এবং পেমেন্ট সিস্টেমের নির্ভরযোগ্যতা – এই তিনটি বিষয়ে আমরা প্রতিনিয়ত উন্নতি করি। প্রতি মাসে গড়ে দুটো বড় আপডেট আসে, যেখানে ব্যবহারকারীদের মতামতের ভিত্তিতে পরিবর্তন আনা হয়।
আমাদের সার্ভার ইনফ্রাস্ট্রাকচার এশিয়ার একাধিক ডেটা সেন্টারে ছড়িয়ে থাকে। তাই বড় ম্যাচের সময়ও সাইট স্লো হয় না। IPL বা বিশ্বকাপের ফাইনালে হাজার হাজার একযোগে বেট দেওয়ার সময়ও AC33 স্বাভাবিক গতিতে কাজ করে।
AC33-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়া হয়। যেমন, অ্যাপের সাইজ ছোট রাখা – কারণ অনেক ব্যবহারকারীর ফোনে বেশি জায়গা নেই। লো-ডেটা মোড – কারণ মফঃস্বলে এখনো ৩G কানেকশনে কাজ করেন অনেকে। বাংলা সাপোর্ট – কারণ দেশের বেশিরভাগ মানুষ ইংরেজিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না।
এমনকি আমাদের মার্কেটিং কৌশলও বাংলাদেশকেন্দ্রিক। শুধু ঢাকা নয়, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, বগুড়া, ময়মনসিংহ – প্রতিটি বিভাগীয় শহর এবং জেলায় AC33-এর উপস্থিতি সমান। আমরা মনে করি বড় শহরের সুবিধা ছোট শহরেও পৌঁছানো উচিত।
AC33-এ প্রতিটি বেটের ফলাফল সম্পূর্ণ স্বচ্ছ। অডস কীভাবে নির্ধারিত হয়, ক্যাশ আউট মূল্য কীভাবে হিসাব করা হয়, অ্যাকুমুলেটর বোনাস কীভাবে যোগ হয় – এই সব তথ্য বিস্তারিতভাবে প্রকাশিত আছে। লুকানো শর্ত বা বিভ্রান্তিকর নিয়ম আমরা পছন্দ করি না।
পেমেন্ট প্রক্রিয়ায়ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়। উইথড্রয়াল রিকোয়েস্ট করার পর কত সময়ের মধ্যে টাকা আসবে, সেটা স্পষ্টভাবে জানানো থাকে। কোনো কারণে বিলম্ব হলে ব্যবহারকারীকে আগেভাগেই জানানো হয়।
AC33 শুধু একটা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নয়। আমরা বাংলাদেশের ক্রীড়া সংস্কৃতির অংশ হতে চাই। তরুণ ক্রিকেটারদের পৃষ্ঠপোষকতা, স্থানীয় ক্রীড়া আয়োজনে সহায়তা এবং দায়িত্বশীল বেটিং সচেতনতা তৈরিতে AC33 বিনিয়োগ করে।
প্রতি মাসে আমাদের কমিউনিটি টুর্নামেন্টে হাজার হাজার সদস্য অংশ নেন। টুর্নামেন্টের আয়ের একটি অংশ একটি শিক্ষা তহবিলে যায়, যা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পড়াশোনায় সহায়তা করে। AC33 বিশ্বাস করে ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি সামাজিক দায়িত্বও পালন করতে হয়।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
৫ লক্ষ সদস্যের বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্মে যোগ দিন। ক্রিকেট, ফুটবল, লাইভ বেটিং – সব এক জায়গায়। আজই শুরু করুন।